বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নটা আসে সেটা হলো – টাকা কি সত্যিই নিরাপদ? জমা দিলে কি ঠিকমতো পাওয়া যাবে? জিতলে উঠাতে কোনো ঝামেলা হবে না তো? wsop এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়েছে তার লেনদেন ব্যবস্থার মাধ্যমে – এবং লক্ষাধিক বাংলাদেশি ব্যবহারকারী প্রতিদিন সেটা নিজেরা যাচাই করে নিচ্ছেন।
wsop-এ সবচেয়ে জনপ্রিয় পেমেন্ট পদ্ধতি হলো বিকাশ। কারণটা সহজ – বিকাশ বাংলাদেশের ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে এবং wsop-এ বিকাশ পেমেন্টের পুরো প্রক্রিয়া এতটাই মসৃণ যে একবার করলেই অভ্যাস হয়ে যায়। কক্সবাজার থেকে শুরু করে রংপুর – যেখানেই থাকুন না কেন, বিকাশ থাকলে wsop-এ ডিপোজিট করতে পারবেন।
নগদ ব্যবহারকারীদের জন্যও wsop-এ সমান সুবিধা। ডাক বিভাগের এই সেবাটি বিশেষত গ্রামাঞ্চলে বেশি ব্যবহৃত হয় এবং wsop-এ নগদে ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল বিকাশের মতোই দ্রুত। রকেটও কার্যকর, তবে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট না থাকলে কিছুটা সীমাবদ্ধতা আছে।
একটা বিষয় অনেকেই জানেন না – wsop-এ ডিপোজিটে কোনো ফি নেই, উইথড্রয়ালেও নেই। যা জমা দেবেন পুরোটাই ব্যালেন্সে আসবে, যা উঠাবেন পুরোটাই বিকাশে পৌঁছাবে। মাঝে কোনো কাটছাঁট নেই। এটা wsop-এর অন্যতম বড় সুবিধা।
উইথড্রয়ালের ক্ষেত্রে একটা গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো – টাকা শুধুমাত্র সেই নম্বরে পাঠানো হয় যে নম্বর wsop অ্যাকাউন্টে নিবন্ধিত। অন্য কোনো নম্বরে পাঠানো সম্ভব নয়। এটা আসলে আপনার সুরক্ষার জন্যই। কেউ যদি আপনার অ্যাকাউন্টে অননুমোদিতভাবে প্রবেশও করে, তবুও আপনার ফোন ছাড়া টাকা তুলতে পারবে না।
বড় অঙ্কের উইথড্রয়ালের ক্ষেত্রে wsop কখনো কখনো পরিচয় যাচাই (KYC) করতে বলে। এটা সাধারণত মাসিক উইথড্রয়াল একটি নির্দিষ্ট সীমা ছাড়ালে হয়। জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি পাঠালেই যাচাই সম্পন্ন হয় এবং পরবর্তীতে আর করতে হয় না। এই যাচাই প্রক্রিয়া একটু সময়সাপেক্ষ হলেও দীর্ঘমেয়াদে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বাড়ায়।