২০১৮ সালে যখন wsop যাত্রা শুরু করেছিল, তখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং মানেই ছিল বিদেশি ভাষার ইন্টারফেস, জটিল পেমেন্ট পদ্ধতি আর অনিশ্চিত গ্রাহক সেবা। বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের কাছে মনে হতো – এই প্ল্যাটফর্মগুলো আমাদের জন্য তৈরিই হয়নি, আমরা শুধু ব্যবহার করছি।
wsop তৈরির পেছনে ছিল একটাই প্রশ্ন – বাংলাদেশের মানুষের জন্য কি একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা সম্ভব যেখানে সবকিছু তাদের মাতৃভাষায়, তাদের পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে এবং তাদের খেলার সংস্কৃতি মাথায় রেখে করা? উত্তর ছিল হ্যাঁ – এবং সেই উত্তরই হলো আজকের wsop।
ক্রিকেটকে কেন্দ্রে রেখে শুরু
বাংলাদেশ মানেই ক্রিকেট। এই সত্যকে সামনে রেখেই wsop তার বেটিং বিভাগ সাজিয়েছিল। শুরু থেকেই বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রতিটি ম্যাচে বিশেষ মনোযোগ, বিশ্বমানের ক্রিকেট অডস এবং লাইভ বেটিংয়ে বাংলায় ম্যাচ আপডেট – এই সব মিলিয়ে wsop দ্রুতই ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রথম পছন্দ হয়ে উঠল।
প্রথম বছরেই wsop উপলব্ধি করল যে শুধু ক্রিকেট যথেষ্ট নয়। ফুটবলের জনপ্রিয়তা বাংলাদেশে ক্রমশ বাড়ছে – বিশেষত প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ নিয়ে তরুণদের আগ্রহ আকাশছোঁয়া। wsop দ্রুত ফুটবল বেটিং বিভাগ শক্তিশালী করল এবং ২০১৯ সালের মধ্যে ৫০টির বেশি ফুটবল লিগের অডস যোগ করা হলো।
বিকাশ যুক্ত করে বদলে গেল সব
wsop-এর সবচেয়ে বড় মোড় ছিল বিকাশ পেমেন্ট যুক্ত করা। এর আগে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের ডিপোজিট করতে হতো জটিল ব্যাংক প্রক্রিয়ায় – যা অনেককে নিরুৎসাহিত করত। বিকাশ আসার পর wsop-এর ব্যবহারকারী সংখ্যা মাত্র তিন মাসে তিন গুণ হয়ে যায়। পরে নগদ ও রকেট যুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশের প্রতিটি কোণ থেকে mানুষ wsop ব্যবহার করতে পারলেন।
লাইভ ক্যাসিনো – বাংলাদেশি ডিলারের সাথে
২০২০ সালে wsop লাইভ ক্যাসিনো বিভাগে বিনিয়োগ করে এবং সেখানে বাংলাদেশি ডিলার নিয়ে আসে। এটা ছিল একটা ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। হঠাৎ দেখা গেল লাইভ ব্যাকারেট টেবিলে বাংলায় কথা বলছেন ডিলার, বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী শিডিউল করা হচ্ছে সেশন। ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়া ছিল অভূতপূর্ব।